অবতক খবর,২৯ মার্চ,জ্যোতির্ময় মন্ডল পূর্ব বর্ধমান: মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় দুটি ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে ঈদুল ফিতর একটি গুরুত্বপূর্ণ বড় ধর্মীয় উৎসব।
ঈদুল ফিতর হল মুসলমান সম্প্রদায়ের জন্য একটি বিশেষ আনন্দ ও উৎসবের দিন ।যা পবিত্র রমজান মাসের রোজা শেষ হওয়ার পর উদযাপন করা হয়। এই দিনটি হল রোজা ভাঙ্গার উৎসব বা মিষ্টি ঈদ নামেও পরিচিত। এই ঈদ উৎসবে সিমাহ লাচ্চা, সহ নারিকেল খাওয়ার চাহিদা মেটাতে হিম সিম খাচ্ছে মধ্যবিত্তের আমজনতা। ঈদ উৎসব প্রাক্কালে সিমাই , লাচ্ছা, নারিকেল বাদাম, সহ বিভিন্ন জিনিসের দাম বাড়ছে হাত ছোঁয়ালিয় বোঝা যাচ্ছে পকেটের ঠিক কত টান পড়ছে সাধারণ মানুষজনদের। ঈদ মুসলিম সম্প্রদায় মানুষজনদের কাছে একটি বড় উৎসব।

এই ঈদ উৎসব এর সময় মুসলিম সম্প্রদায় মধ্যবিত্ত মানুষজনদের কাছে সিমাই , লাচ্ছা ,নারিকেল কেনাকাটি করা দায়। মন্তেশ্বর ব্লকের চার পাঁচটি বাজারে মধ্যে সিমাই, লাচ্ছা, নারিকেলের বাজারের মধ্যে একটি বড় বাজার কুসুমগ্রাম বাজার। কুসুমগ্রামের এই সিমাই , লাচ্ছা, নারিকেলের বাজার আশপাশের ১৫টি থেকে ২০ টি গ্রামের মানুষজন এই বাজারে ঈদ উপলক্ষে সিমাই, লাচ্ছা, নারিকেল সহ বিভিন্ন জিনিসের বাজার করে। মন্তেশ্বর ব্লকের বিভিন্ন গ্রামের মানুষজন সহ মেমারী, পূর্বস্থলীর, নাদনঘাট সহ আশপাশের গ্রামের মানুষজন এই কুসুমগ্রাম বাজারে ঈদ উপলক্ষে সীমাই, লাচ্ছা, নারিকেলের বাজার করতে আসে। এই বাজারে কেনাকাটার প্রচুর ভিড় হয়।

তাই আজ কুসুমগ্রাম বাজারে
একটি নারিকেল প্রতি দাম ৪৫ টাকা থেকে ৫০টাকা।
সীমাই কেজিপ্রতি দাম ৯০ টাকা থেকে ১০০টাকা।
লাচ্ছা কেজিপ্রতি দাম ১৮০ টাকা থেকে ২০০টাকা।
এইসব জিনিসের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় নাবিশ্বাস হয়ে উঠেছে আমজনতার।

সিমাই, লাচ্ছা, নারিকেলের দাম সাধারণ মানুষজনদের নাগালের বাইরে হাওয়ায় কেনাকাটা দুরুহ হয়ে পড়েছে বলে জানান সাধারণ মানুষজনরা। সীমাই, লাচ্ছা, নারিকেল বিক্রেতারা জানান ময়দার দাম বাড়ার ফলে লাচ্ছা সিমাই এর দাম বেড়েছে। নারিকেলের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে বিক্রেরা জানান রাজ্যে নারকেলের যোগানের পরিমাণ কম , তাই কেরল রাজ্য থেকে নারিকেল আমদানি করতে হয় বলে নারকেলের দাম বেড়েছে বলে জানান তারা।

ক্রেতারা জানান এই সময় নারিকেল, লাচ্ছা, সীমাই এর দাম একটু কম থাকলে সাধারণ মানুষজনদের ভালো হত বলে জানান তারা।