পুরাতত্ত্বিক ঐতিহ্য ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ৩২-তম বর্ষ। আজ ৬ ডিসেম্বর, ‘২৩। স্বাধীনোত্তর ভারতীয় জীবনে আজকের দিনটি একটি কালো দাগ
হায় ধর্ম
তমাল সাহা
১) শনাক্তকরণ
ঈশ্বর ও আল্লা দেখিয়াছি আমি
দাঙ্গার পরে।
ঈশ্বর ও আল্লা জড়াজড়ি করে
শুয়ে আছে পথে-প্রান্তরে রক্তাক্ত শরীরে।
ঝুঁকে পড়ে দেখি
ঈশ্বরের মুণ্ডু নাই, নাই আল্লার মুখ
শনাক্তকরণে ব্যর্থ আমি এক উজবুক।
কে আল্লা,কে ঈশ্বর!
লজ্জায় আলিঙ্গনে সেঁটে আছে দুটি বুক।
২) দেবালয় ও মসজিদ
দেবালয় শব্দটির সঙ্গে
লয় শব্দটি যুক্ত কেন
আমি কি আর সব জানি?
মসজিদের সঙ্গে জিদ শব্দটি যুক্ত হলে
কে কাকে দেখাবে জিদ বা তেজ কতখানি?
শব্দ দুটি দেখে তো আমার সাধারণ জিজ্ঞাসা
ধর্মের নামে কেন লুকিয়ে এতো জিঘাংসা!
আমি এসব কিছুই বুঝিনা
শব্দ দুটি নিয়ে শুধু ভাবি।
মানুষ কতখানি সভ্য–
এইসব আমার মাথায় ঘুরপাক খায়
সব প্রশ্ন উত্তর খুঁজতে চায়!
আমি দেখি চারদিকে অন্ধকার—
সবই তালা বন্ধ
হাতড়ে বেড়াই চাবি!
৩) ধর্মগ্রন্থ
কটি ধর্মগ্রন্থের নাম বলো।
গীতা,কোরান, বাইবেল, ত্রিপিটক, গ্রন্থসাহেব, জেন্দাবেস্তা। আরো কতো, বলবো!
সাবাস!
ধর্মগ্রন্থে কি লেখা আছে অল্প কথায় বলো।
মানুষের আচরণ বিধি ও মুক্তির কথা।
কোন আচরণবিধি, কোন মুক্তির কথা?
জীবনে কিভাবে চলতে হবে,
দুনিয়ার প্রলোভন থেকে মুক্তির কথা।
কোন প্রলোভন?
কাম ক্রোধ লোভ ঐশ্বর্য– এইসব।
মানুষ হয়ে জন্মাবে আর এইসব থাকবে না?
কোন ধর্মগ্রন্থে খিদে থেকে মুক্তি এবং কিভাবে মুক্তি তার আচরণবিধি লেখা আছে?
এটা তো জানিনা!
ধর্মগ্রন্থে আবার এসব লেখা থাকে নাকি?
তাহলে ওরা কিভাবে করে কম্মে খাবে!